বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন
Logo
শিরোনাম :
বগুড়ার আদমদীঘি ও সান্তাহারে মাদকবিরোধী অভিযানে ৭ মাদকসেবীকে আটক। মাদারীপুর নদীর পাড়ের মাটি যাচ্ছে ইটভাটার পেটে । কুষ্টিয়ায় গড়াই নদী শুকিয়ে যাওয়ায় পানির সংকট চরমে সাংবাদিকদের মুভমেন্ট পাস লাগবে না- আইজিপি দৈনিক মুক্ত আলো পত্রিকার লোগো নকল করে প্রতারণা করছে ফাহিম ফয়সাল দেশে করোনায় একদিনে রেকর্ড ৮৩ জনের মৃত্যু বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে রোজা কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করোনা প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের পাশে মণিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগ গনমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবীতে মাদারীপুরে স্মারকলিপি প্রদান।
নোটিস :
আমাদের সাইট-এ প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে,যোগাযোগ করুন>> 01712-129297>>>01712-613199>>>01926-659742>>>

ধর্ষকের কাছ থেকে ৩৫ লাখ টাকা ঘুষ, নারী পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক: / ১৩৫ বার
আপডেটে : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২০

অনলাইন ডেস্ক: নারী পুলিশ গ্রেফতার অভিযুক্ত ধর্ষকদের বাঁচাতে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে পুলিশের নারী সাব-ইন্সপেক্টরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জানা গেছে, ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদ পশ্চিম মহিলা থানার ইনচার্জ শ্বেতা জাদেজার বিরুদ্ধে অভিযোগটি উঠেছে। প্রথম দফায় ২০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে শ্বেতা জাদেজার বিরুদ্ধে। তদন্তের রিপোর্ট বদল করতে আরো ১৫ লাখ টাকা আদায় করতে অভিযুক্তদের সঙ্গে নাকি দর কষাকষি চলছিল শ্বেতার। পুরো ব্যাপারটি ফাঁস হয়ে যায়। পরে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে পুলিশের ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও।

এ ব্যাপারে শুরু হয়েছে তদন্ত। আহমেদাবাদের একটি বেসরকারি সংস্থার প্রধানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছিল ২০১৯ সালে। অভিযুক্তের নাম কেনাল শাহ। অফিসেরই দুই মনারী কর্মচারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। দুই ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ধর্ষণের দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল কেনালের বিরুদ্ধে। একটি মামলার তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন শ্বেতা জাদেজা।

একজন ভুক্তভোগীর অভিযোগ, তদন্ত কোনোভাবেই গতি পায়নি। এমনকি অপরাধীর বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়নি। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এর আগেও নারীদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে, কেনাল শাহের ভাই ভবেশের কাছ থেকে ৩৫ লাখ টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ রয়েছে শ্বেতার বিরুদ্ধে। যদিও এই অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন।

শ্বেতার বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে, গত বছর কেনাল শাহের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করা হলেও তদন্তের কোনো রিপোর্টই দেননি শ্বেতা। কেনালের ভাইয়ের মাধ্যমে তার কাছে অগ্রিম ২০ লাখ টাকা পৌঁছে গিয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। সেই টাকা এসেছিল অন্য একজনের সূত্র ধরে। অভিযুক্তদের পরিবারের সঙ্গে নাকি নিয়মিত যোগাযোগও ছিল শ্বেতার। টাকাপয়সা লেনদেনের ব্যাপারে গোপন আলোচনাও চলার অভিযোগ রয়েছে। আরো ১৫ লাখ টাকার জন্য নাকি অভিযুক্তকে চাপ দিচ্ছিলেন শ্বেতা।

এনিয়ে অভিযুক্তের পরিবারের সঙ্গে দর কষাকষিও চলছিল তার। সে কারণে পুরো ব্যাপারটি সামনে চলে আসে। তবে সেই টাকা শ্বেতার হাতে পৌঁছেছিল কিনা, তা এখনো জানা যায়নি। গত শুক্রবার গ্রেপ্তার করা হয় শ্বেতাকে। শনিবার তাকে দায়রা আদালতে তোলা হলে বিচারক সাতদিন পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। পুলিশ জানিয়েছে, শ্বেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘুষ নেওয়ার ব্যাপারে তিনি মুখ খোলেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
Theme Created By ThemesDealer.Com