সোমবার, ০১ মার্চ ২০২১, ০৫:০২ অপরাহ্ন
Logo
শিরোনাম :
দৈনিক গণমুক্তির ৪৮ বছর উদযাপন ও সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা সম্পন্ন র‌্যাবের সাড়াশি অভিযানে ৭৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নবীগঞ্জে এক ছাত্রী কে বাসে শ্লীলতাহানির চেষ্টা আদমদীঘিতে সুইট লাইফ কফি হাউজে র‌্যাবের অভিযানে পাঁচ জুয়াড়ি গ্রেফতার। মাদারীপুর পরীক্ষার দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মানববন্ধন দেশে অবহেলিত আলীয়া মাদ্রাসা —মহাসচিব শাব্বীর আহমেদ নন্দীগ্রামে পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলরদের দায়িত্ব গ্রহণ জকিগঞ্জে একটি রাস্তার জন্য চরম দুর্ভোগে স্থানীয়রা – অবশেষে স্বেচ্ছাশ্রমে মাটি কাজ সম্পন্ন রুদ্ধ কপাট – সুলেখা আক্তার শান্তা জকিগঞ্জে ঘর পুড়ে ছাই, খোলা আকাশের নিচে এক পরিবার!
নোটিস :
আমাদের সাইট-এ প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে,যোগাযোগ করুন>> 01712-129297>>>01712-613199>>>01926-659742>>>

বেশি সুদের আশায় পারিবারিক সঞ্চয়পত্রের বিক্রি বেড়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ / ২৮ বার
আপডেটে : মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার : আবার সঞ্চয়পত্রের দিকে ঝুঁকেছেন সাধারণ মানুষ। ব্যাংকে টাকা জমা রাখার চেয়ে সুদের হার বেশি হওয়ায় জাতীয় সঞ্চয়পত্র কেনায় আমানতকারীদের আগ্রহও বেশি। এর মধ্যে পারিবারিক সঞ্চয়পত্র বিক্রি সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বরে পারিবারিক সঞ্চয়পত্রের বিক্রি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে বেড়েছে প্রায় তিনগুণ। ২০১৯-২০ অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বরে সাত হাজার ৫৮১ কোটি টাকার পারিবারিক সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছিল।

একই সময়ে ২০২০-২১ অর্থবছরের যা বেড়ে হয়েছে ২০ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা। অনেকে তাদের স্ত্রী এবং সন্তানের নামে সঞ্চয়পত্র কিনেছেন। আগের অর্থবছরের তুলনায় ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথমার্ধে সঞ্চয়পত্রের সামগ্রিক বিক্রি ৬০ শতাংশ বেড়ে ৫৪ হাজার ৯৭৬ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। ব্যাংকের চেয়ে সঞ্চয়পত্রে মানুষের আগ্রহ বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ সুদের হার। সরকারি বিভিন্ন সঞ্চয়পত্রে সুদের হার ১১ শতাংশের বেশি। সবচেয়ে বেশি সুদ দেওয়া হয় পারিবারিক সঞ্চয়পত্রে। এর হার ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ।

বেশি পরিমাণে এবং অপ্রাপ্ত বয়স্কদের নামেও কেনার সুযোগ থাকায় তিন মাস মেয়াদী সঞ্চয়পত্রের বিক্রিও বেড়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বরে তিন মাস মেয়াদী সঞ্চয়পত্রের বিক্রি ১৫১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৫৯ কোটি টাকা। এই সঞ্চয়পত্রে সুদের হার ১১ দশমিক শূন্য চার শতাংশ। একক নামে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ এবং যৌথ নামে সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কেনার সুযোগ রয়েছে। ১০ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ এবং প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বৃদ্ধির কারণেই সঞ্চয়পত্র বিক্রি বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী জাতীয় সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।

তিনি বলেন, করোনার কারণে আয় ও সঞ্চয় কমে যাওয়া এবং গত বছর থেকে বিনিয়োগের যোগ্যতা নিয়ে সরকারের কঠোর অবস্থানের পরেও সঞ্চয়পত্র বিক্রি বেড়েছে। ‘সম্ভবত এর সবচেয়ে বড় কারণ হলো রেমিট্যান্স আয় বৃদ্ধি। ফলে বেড়েছে পারিবারিক সঞ্চয়পত্র কেনার হার।’

অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের একটি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি তিনটি সঞ্চয়পত্রে ৫০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করতে পারবেন না। এগুলো হলো পাঁচ বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র এবং পারিবারিক সঞ্চয়পত্র।

পাঁচ বছর মেয়াদী সঞ্চয়পত্রের বিক্রি ২৫ দশমিক ২০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে চার হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা। এই সঞ্চয়পত্রে সুদের হার ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। একক নামে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ এবং যৌথ নামে ৬০ লাখ টাকার পাঁচ বছর মেয়াদী সঞ্চয়পত্র কেনা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
Theme Created By ThemesDealer.Com