সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ০৬:১৭ অপরাহ্ন
Logo
শিরোনাম :
স্ত্রীর পাশে চিরনিদ্রায় সমাহিত ব্যারিস্টার রফিক-উল হক শাহগলী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন আবার শ্রাবণ বৃষ্টি আদমদিঘী সান্তাহারে এক কিশোরের জন্য দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল মালবাহী ট্রেন। ভোটার কার্ডে দুই সন্তানের চেয়ে মায়ের বয়স কম, বয়স্ক ভাতা থেকে বঞ্চিত বৃদ্ধ এক মা! অতিরিক্ত পুলিশ সুুপার সুদীপ্ত রায়ের শারদীয় শুভেচ্ছা দুর্গাপূজায় জকিগঞ্জ থানা-পুলিশের শুভেচ্ছা বার্তা দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাবেল মোহাম্মদ রেজা’র শুভেচ্ছা হাসিমুখে আর দেখা হবেনা কোনদিন ওপারে ভালো থাকুন প্রিয় সেলিম ভাই “মেয়ে তুমি ঘুমোও”- সালমা তালুকদার
নোটিস :
আমাদের সাইট-এ প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে,যোগাযোগ করুন>> 01712-129297>>>01712-613199>>>01926-659742>>>

কথায় কথায় প্রেমিকার চোখে কান্না? জেনে নিন তাঁর চরিত্র…

অনলাইন ডেস্ক: / ৫০ বার
আপডেটে : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সাধারণত আমরা প্রায় সকেলই মনে করি যে, পুরুষের থেকেও মহিলারা বেশি আবেগপ্রবণ হয়৷ তাই কথায় কথায় তাদের চোখে কান্না আসে বলেও অনেক ক্ষেত্রে বলা হয়৷ অনুভূতি হীন মানুষ হয় না৷ সেই সব অনুভূতির বর্হিপ্রকাশ এক একজনের এক এক রকম করে হয়৷ অনেকেই মনে করেন যে, পুরুষের থেকেও মহিলারা বেশি আবেগপ্রবণ হন৷ তাই কথায় কথায় তাদের চোখে কান্না আসে বলেও অনেক ক্ষেত্রে বলা হয়৷

বিজ্ঞাপন ডিজিটাল

মহিলারা মায়ের রূপ৷ এরা যে, সংবেদনশীল এবং মমতাময়ী হবেন, সেটাই স্বাভাবিক৷ তবে অনেকেই আবার সেই চরিত্রটিকে দুর্বল হিসেবে ভেবে নেন৷ কিন্তু মনোবিদদের ত্বত্ত্ব বলছে অন্য কথা৷

আর্ন্তজাতিক সংবাদমাধম্যে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, যারা বেশি কাঁদেন, বা যাদের চোখে পানি আসে তাড়াতাড়ি, তাদের মধ্যে রয়েছে এই বৈশিষ্টগুলি৷

♦ জীবনে কোনও বড় ধাক্কা বা কষ্ট পেলে সেটা চোখের জলের মাধ্যমে বার করে নিজেদের কষ্ট কম করতে পারেন এই ধরণের মানুষ৷ তাই তাদের মনে চাপ কম পড়ে এবং কেঁদে নিজেকে চাপমুক্ত করতে পারেন এরা৷

♦ যারা কাঁদের তারা সাহসী হন৷ এমনই মত মনোবিদদের৷ অর্থাৎ কান্না চেপে রেখে নিজেকে দুর্বল প্রতিপন্ন করতে চান না অনেকে৷ কিন্তু এটা আদতে নিজেকে ভীতুই প্রমাণ করা৷ সুখে যেমন আনন্দ পাওয়া যায়, তেমন দুঃখেও চোখের জল ফেলা যায়৷ এতে কোনও লজ্জা নেই৷ যারা এই মতে বিশ্বাস করে চোখের জল ফেলতে দ্বিধা করেন না তারা আদতে সাহসী, ভীতু বা দুর্বল নন৷

♦ এই ধরণের মানুষের জীবনের পথে চলা অনেক বেশি সহজ হয়৷ কারণ এরা জীবনে সমতা বজায় রাখতে সক্ষম হন৷ এরা কেঁদে মন হাল্কা করে ফেলতে পারেন৷ অন্যদিক না কেঁদে মনে কষ্ট জমিয়ে রাখলে তা জীবনের কষ্ট আরও বাড়াতে ও পরবর্তীতে তা শরীরের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে৷


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
Theme Created By ThemesDealer.Com