মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২১, ১১:২৩ অপরাহ্ন
Logo
শিরোনাম :
পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচনে লেখক সম্মাননা পেলেন সাংবাদিক ওয়াহিদ চৌধুরী কুশিয়ারা’র ২৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাংবাদিক এম. এ ওয়াহিদ চৌধুরীকে সম্মাননা প্রদান মণিরামপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ভাইকে পিটিয়ে জখম করে টাকা কেড়ে নেয়ার অভিযোগ নন্দীগ্রামে ৯টি ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেফতার সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থেকে এক কিশোরী নিখোঁজ সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীর নির্মাণাধীন মার্কেট গুড়িয়ে দিলেন ভ্রাম্যমাণ আদালত বাঘ আটক করেছে মেঘনা’র জনতা! টাইমস্কেলসহ সুযোগ-সুবিধা বহাল রাখার দাবিতে মাদারীপুরে শিক্ষকদের মানববন্ধন সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাব’র নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে মেট্রোপলিটন পুলিশে’র পক্ষ থেকে অভিনন্দন আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকীতে সিলেটে স্বেচ্ছাসেবকদলের দোয়া মাহফিল
নোটিস :
আমাদের সাইট-এ প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে,যোগাযোগ করুন>> 01712-129297>>>01712-613199>>>01926-659742>>>

ঝাড়ফুঁকের নামে নারীদের ‘ধর্ষণ’ করতেন হুজুর

দাগনভূঞা প্রতিনিধি: / ১২৩ বার
আপডেটে : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২০

দাগনভূঞা প্রতিনিধি: ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের এক মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন এলাকার মানুষ। এর আগেও ওই হুজুর ঝাড়ফুঁকের নামে একাধিক নারীর সঙ্গে এমন আচরণ করলেও লোকলজ্জার ভয়ে তারা ছিলেন নীরব। তবে এবারের ঘটনা প্রকাশ পেলে একে একে মুখ খুলতে শুরু করেছেন অনেকেই। কঠোর শাস্তির দাবি তাদের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই মাদ্রাসার দোতালার একটি কক্ষ ব্যবহার করে ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা ইউসুফ সিদ্দিকী দীর্ঘদিন ধরে তাবিজ-কবজ আর ঝাড়ফুঁকের নামে নারীদের তার লালসার শিকার বানিয়ে আসছেন। গত ৪ জুলাই এক নারী ইউসুফ সিদ্দিকীর কাছে তাবিজের জন্য গেলে কৌশলে তার শ্বশুর-শাশুড়িকে আরেক কক্ষে পাঠিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালান তিনি। সেখান থেকে বের হয়ে ভুক্তভোগী নারী বিষয়টি তার স্বজনদের জানালে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানান তারা।

বিষয়টি জানাজানির পর এ হুজুরের কাছে গিয়ে বিভিন্ন সময় যে সব নারী এমন আচরণের শিকার হয়ে লোকলজ্জায় বলেননি তারা এখন মুখ খুলতে শুরু করেছেন। এতে ক্ষোভে ফুঁসে উঠছে এলাকাবাসী।

অবস্থা বেগতিক দেখে দোষ স্বীকার এবং ক্ষমা চেয়ে এ হুজুর স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে এ ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন।

কোনো ব্যক্তির অপকর্মের দায়ভার প্রতিষ্ঠান নেবে না বলে জানান দাগনভূঞা ইছাহাকীয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা নুরুল আমিন।

এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি ১৯৩৬ সালে গড়া এ ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
Theme Created By ThemesDealer.Com